শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৫৮
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

দীঘির সিঁড়ি থেকে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল সেই কুমির

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন দীঘিতে থাকা একমাত্র কুমির ফাতেমা (৮) নামে এক শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে।

সোমবার (১ জুন) রাত ৯টার দিকে মাজার সংলগ্ন মহিলা ঘাট থেকে ওই শিশুটিকে টেনে নিয়ে যায় কুমির।

জানা গেছে, শিশু ফাতেমার মা মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি শিশু মেয়েকে নিয়ে মাজার ঘাটে কয়েকদিন আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন।

ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য চারটি নৌকা দিয়ে মাজারের খাদেমসহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দীঘিতে তল্লাশি শুরু করেছে। এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও রাত ১০টা পর্যন্ত ফাতেমাকে উদ্ধার করা যায়নি।

ঘটনার সংবাদ শুনে বাগেরহাট সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান নাসের রিকাবদার ঘটনাস্থলে থেকে উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান নাসের রিকাবদার জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করছে। ইতোমধ্যে মাজার এলাকায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে, তাদের নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য প্রাথমিক অবস্থায় চারটি নৌকা দিয়ে দীঘিতে তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় লোকজনও সহযোগিতা করছে।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে ওই দিঘির পাড়ে একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড়ে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজন কুকুরটিকে তাড়া করলে সেটি ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের ফোরকান নামের এক নিরাপত্তারক্ষীকে আঁচড় দেওয়ার পর তিনি পা ঝাড়া দিলে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। এর পরপরই দিঘির কুমিরটি ধীর ধীরে এসে কুকুরটিকে চোয়ালে করে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়।